ডার্বির নায়ক এডমুন্ডের চোখ এবার ব্রাজ়িল ম্যাচে


ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে ইস্টবেঙ্গলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর থেকেই কলকাতা ময়দানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এডমুন্ড লালরিনডিকা। মিজোরামের এই ২৭ বছর বয়সি উইঙ্গার এখন লাল-হলুদ সমর্থকদের অন্যতম প্রিয় মুখ। তবে নিজের এই সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিজের বলে মনে করছেন না এডমুন্ড। তাঁর ফুটবলার হয়ে ওঠার পিছনে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (এআইএফএফ) ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

এআইএফএফ-এর এক সাক্ষাৎকারে এডমুন্ড জানান, মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি ফেডারেশনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে যোগ দেন। সেখানেই দীর্ঘ সময় ধরে যুব পর্যায়ের প্রশিক্ষণ নেন। শৃঙ্খলা, ফুটবলের মৌলিক বিষয় এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে সেই প্রশিক্ষণ তাঁর কেরিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলে জানান ইস্টবেঙ্গল তারকা।

তরুণ ফুটবলার তৈরিতে এআইএফএফের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেছেন এডমুন্ড। তাঁর মতে, ছোট বয়স থেকেই সঠিক প্রশিক্ষণ ও ফুটবলের মৌলিক বিষয় শেখার সুযোগ একজন খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারে। নিজের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ পাওয়াকে সৌভাগ্যের বিষয় বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

ডুরান্ড ফাইনালে হ্যাটট্রিকের পরও অবশ্য আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নন এডমুন্ড। তাঁর কথায়, এই সাফল্য কেবল শুরু। কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাসের অধীনে ইস্টবেঙ্গল চলতি মরসুমে আরও ট্রফি জিততে পারে—এমনই আশাবাদী তিনি।

এরই মধ্যে এডমুন্ডের নজর ভারত-ব্রাজ়িল ম্যাচের দিকেও। ব্রাজ়িলের মতো দলের বিরুদ্ধে দেশের হয়ে মাঠে নামাকে যে কোনও ভারতীয় ফুটবলারের স্বপ্ন বলে মনে করেন তিনি। সুযোগ পেলে জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেওয়ার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন ডার্বির এই নায়ক।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ঘনিষ্ঠতা, নজরে নয়াদিল্লি

বিধানসভা থেকে বই ফেরত না দিলে মমতার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা: গ্রন্থাগারমন্ত্রী

সীমান্তে পৌঁছনোর আগেই পুলিশের জালে পাচারকারী! গাড়ি থেকে উদ্ধার ১২০০ শিশি ফেন্সিডিল